কিশোর ফুটবলারের মায়ের আকুতি; ‘আমার সন্তানকে বাঁচান..
পাইওনিয়ার লীগ শুরু হতে তখনও বাকি কয়েকমাস। হঠাৎ একদিন রাঙ্গামাটির কিশোর খেলোয়াড়রা জানতে পারলো পাইওনিয়ার লীগের জন্য একটি ট্রায়ালের আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদের মতোই আগ্রহ নিয়ে ট্রায়ালে অংশগ্রহন করতে যায় রাঙ্গামাটির পাহাড়ে বেড়ে উঠা অনিল। ট্রায়ালে নির্বাচিত হয়ে প্রথমবারের মতো এফসি উত্তরবঙ্গের হয়ে পাইওনিয়ার লীগে অংশ নেয় এই খেলোয়াড়। বাকিটা তো ইতিহাস; একে একে প্রতিটি ধাপ পেরিয়ে ৭০ টি দলকে পেছন ফেলে অনিলদের দল উঠে যায় ফাইনালে। শিরোপা ঘরে তুলতে না পারলেও অসাধারণ ফুটবলশৈলি দেখায় অনিল ও তার দল।
লীগ শেষ হয়েছে অনেক দিন হলো। বর্তমানে এফসি উত্তরবঙ্গের অনিল টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নিজ জেলা রাঙ্গামাটিতে শয্যাশায়ী। খুব ছোট বেলায় বাবাকে হারায় সে। কাঠ মিস্ত্রির কাজ করে, বিধবা মাকে নিয়ে তার সংসার। অনিল মিস্ত্রি পেশার পাশাপাশি গ্রামের স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। আর স্বপ্ন দেখেন একজন প্রতিষ্ঠিত ফুটবলার হয়ে মায়ের কষ্ট দূর করার। বিধবা মা অন্যের বাসায় খেটে যে দু-মুঠো খাবার জোগাড় করতে পারতো; সেই পথও এখন মহামারী করোনার ছোবলে বন্ধ। বর্তমানল অনিলের জন্য চিকিৎসাতো দূরের কথা, ঘরে খাবারও জুটেনা।
এই পরিস্থিতিতে তার সাথে যোগাযোগ করলে তার মা কান্না জর্জরিত কণ্ঠে জানান যে,
‘আমার একমাত্র সন্তানকে আপনারা বাঁচান। ইশ্বরের দোহাই যারা আছেন তারা এই বিপদ থেকে আমার অনিলের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।’
অনেককেই বলতে শুনি, পাহাড় থেকে খেলোয়াড় উঠে আসলে নাকি আমাদের দেশে ৯০ মিনিট একদমে খেলার মতো খেলোয়াড় পেয়ে যাবো। কারণ তারা শুরু থেকেই প্রকৃতিগত কারনে অনেক শক্তিশালী হয়ে গড়ে উঠে। কিন্তু অভাব অনটন তাদের লেগেই থাকে। তাহলে কি আমরা টায়ফয়েডের কাছে হারাতে যাচ্ছি বাংলাদেশের একজন উঠতি তারকাকে?
লীগ শেষ হয়েছে অনেক দিন হলো। বর্তমানে এফসি উত্তরবঙ্গের অনিল টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নিজ জেলা রাঙ্গামাটিতে শয্যাশায়ী। খুব ছোট বেলায় বাবাকে হারায় সে। কাঠ মিস্ত্রির কাজ করে, বিধবা মাকে নিয়ে তার সংসার। অনিল মিস্ত্রি পেশার পাশাপাশি গ্রামের স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। আর স্বপ্ন দেখেন একজন প্রতিষ্ঠিত ফুটবলার হয়ে মায়ের কষ্ট দূর করার। বিধবা মা অন্যের বাসায় খেটে যে দু-মুঠো খাবার জোগাড় করতে পারতো; সেই পথও এখন মহামারী করোনার ছোবলে বন্ধ। বর্তমানল অনিলের জন্য চিকিৎসাতো দূরের কথা, ঘরে খাবারও জুটেনা।
এই পরিস্থিতিতে তার সাথে যোগাযোগ করলে তার মা কান্না জর্জরিত কণ্ঠে জানান যে,
‘আমার একমাত্র সন্তানকে আপনারা বাঁচান। ইশ্বরের দোহাই যারা আছেন তারা এই বিপদ থেকে আমার অনিলের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।’
অনেককেই বলতে শুনি, পাহাড় থেকে খেলোয়াড় উঠে আসলে নাকি আমাদের দেশে ৯০ মিনিট একদমে খেলার মতো খেলোয়াড় পেয়ে যাবো। কারণ তারা শুরু থেকেই প্রকৃতিগত কারনে অনেক শক্তিশালী হয়ে গড়ে উঠে। কিন্তু অভাব অনটন তাদের লেগেই থাকে। তাহলে কি আমরা টায়ফয়েডের কাছে হারাতে যাচ্ছি বাংলাদেশের একজন উঠতি তারকাকে?


No comments