Header Ads


টেকনাফে আটক ৩৯৬ রোহিঙ্গা কোয়ারেন্টিনে

মালয়েশিয়াগামী ৩৯৬ জন রোহিঙ্গাকে জাতিসংঘের শরণার্থী হাইকমিশন (ইউএনএইচসিআর)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে রাখা হচ্ছে টেকনাফ ও ঘুমধুম প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে।


আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ড সদস্যরা এসব রোহিঙ্গাদের ইউএনএইচসিআর-এর কাছে হস্তান্তর করে।
ইউএনএইচসিআর-এর নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুরের জাহাজ ঘাট থেকে মালয়েশিয়াগামী আটক ৩৯৬ জন রোহিঙ্গাকে আজ দুপুরে ইউএনএইচসিআর-এর কাছে হস্তান্তর করেছে কোস্টগার্ড। তাদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা হবে। আগে থেকে প্রস্তুত রাখা টেকনাফ ও ঘুমধুম ট্রানজিট সেন্টারে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে তাদের।
টেকনাফ স্টেশন কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা লে. কমান্ডার এম সোহেল রানা বলেন, ‘রোহিঙ্গাভর্তি জাহাজ টেকনাফ জাহাজপুরা ঘাট দিয়ে ওঠা ৩৯৬ জন রোহিঙ্গাকে প্রাথমিক চিকিৎসা সহ মানবিক সেবা শেষে ইউএনএইচসিআর-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। করোনাভাইরাস সংকটে তাদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখতে টেকনাফ কেরুনতলী ও ঘুমধুম প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’
কক্সবাজার অতিরিক্ত আরআরআরসি মো. সামসুদ্দুজা নয়ন জানান, ইউএনএইচসিআর-এর মাধ্যমে এসব রোহিঙ্গাদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখতে টেকনাফ কেরুনতলী ও ঘুমধুম প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে। তারা কে কোন ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছিল তা যাচাই করা হচ্ছে। ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রোহিঙ্গারা জানায়, গত দুই মাস পূর্বে ৪২২ জন রোহিঙ্গাভর্তি একটি ট্রলার সাগর পথে মালয়েশিয়া পাড়ি দেয় কিন্তু সেদেশে কড়াকড়ির কারণে ঢুকতে না পেরে ফিরে আসে। সাগরে এত দিন ভাসমান থাকাকালীন তাদের ট্রলারে ২৮ জন মারা যায়।
গত বুধবার রাত ১০টার দিকে মেরিনড্রাইভ সড়কের টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুরের জাহাজ ঘাট থেকে ৩৯৬ জন রোহিঙ্গাকে আটক করে কোস্টগার্ড সদস্যরা। তাদের বহনকারী জাহাজটি জব্দ করা হয়। আজ সকালে এসব রোহিঙ্গাদের টেকনাফ ট্রানজিট ঘাটে নিয়ে আসা হয়।

No comments

Powered by Blogger.